বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য সুখবর নিয়ে এলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২০২৬ সালের বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বৈশাখী ভাতার প্রস্তাব চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজ (বুধবার, ৮ এপ্রিল) বিকেলে আইবাস প্লাস প্লাস (iBAS++) সিস্টেমে এই ভাতার ১৮১ কোটি টাকারও বেশি বিল সাবমিট করা হয়েছে।
শিক্ষক-কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতার টাকা কবে নাগাদ পাওয়া যাবে?
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অর্থ ও ক্রয় শাখার পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ মনির হোসেন জানিয়েছেন, বৈশাখী ভাতার অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে নির্ধারিত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে পাঠানো হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী ১৩ এপ্রিল (সোমবার) শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের সংশ্লিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে উৎসব ভাতার টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।
এবারের বৈশাখী ভাতা বাবদ সর্বমোট ১৮১ কোটি ৩৬ লাখ ৫৬ হাজার ৩৮৮ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর বিস্তারিত বণ্টন নিচে দেওয়া হলো:
স্কুল পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারী: ১২৯ কোটি ২৬ লাখ ৯৪ হাজার ২৭৬ টাকা।
কলেজ পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারী: ৫২ কোটি ৯ লাখ ৬২ হাজার ১১২ টাকা।
পেমেন্ট প্রক্রিয়া ও আপডেট
আইবাস থেকে অনুমোদনের পর অর্থ ছাড়ের জিও জারি করা হবে। এরপর ভাতার চেকগুলো সংশ্লিষ্ট অনুদান বণ্টনকারী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হবে। সেখান থেকে আঞ্চলিক শাখাগুলোর মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বৈশাখী ভাতা প্রদান করা হবে।
শিক্ষকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান
প্রতি বছর এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে এই উৎসব ভাতা পেয়ে থাকেন। তবে সময়মতো বিল সাবমিট এবং ব্যাংক প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় অনেকেই চিন্তিত ছিলেন। মাউশির এই দ্রুত পদক্ষেপের ফলে পহেলা বৈশাখের আগেই শিক্ষকরা তাদের প্রাপ্য পাওনা হাতে পাবেন।

