বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকল জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়েছে – অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস এমপি

মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস এমপি বলেছেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের সকল জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়েছে। বর্তমান সরকার অসাম্প্রদায়িক প্রগতিশীল উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ রাষ্ট্র বিনির্মাণে নিরন্তন প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। উগ্র-সাম্প্রদায়িকতা বা ধর্মীয় সন্ত্রাসের কোনো জায়গা বাংলাদেশে নেই। সকল ধরনের ধর্মীয় সহিংসতার বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার বাগমাহমুদালীপাড়ার রাধাগোবিন্দ মন্দিরে শ্যামাপূজা পরবর্তী অন্নকূট অনুষ্ঠানে পূজার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শ্রী সমর ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক নবীন রায়, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আল-মাহমুদ বাবু, পৌর কাউন্সিলর আব্দুল মান্নান দর্পন, নার্গিস আক্তার, মকবুল হোসেন, মুন্সীগঞ্জ শিল্পাঞ্চল শ্রমিক লীগের সভাপতি আবুল কাশেম প্রমুখ।

অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস বলেন, বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি হলো সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির সংস্কৃতি। প্রতিক্রিয়াশীলদের ষড়যন্ত্র প্ররোচনায় সংঘটিত কয়েকটি ঘটনা ব্যতীত বাঙালি জাতির ইতিহাস মিলনের ইতিহাস- ভ্রাতৃত্বের ইতিহাস। সকল ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি সমন্বয়ে উৎসবমুখর ছিল বাঙালি সমাজ। বিভিন্ন ধর্ম ও মতাবলম্বীদের আচার-অনুষ্ঠানেও রয়েছে সার্বজনীন অংশগ্রহণ।

তিনি বলেন, ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তস্নাত বাংলাদেশের পবিত্র মাটিতে সাম্প্রদায়িকতার কোনো ঠাঁই নেই। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। জাতি ধর্ম বর্ণ ভেদের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখতে হবে। মানবিকতার আলোয় সমাজকে আলোকিত করে তুলতে হবে।