গজারিয়ায় আট মাসে আটটি আত্মহত্যা

মুন্গসীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় গত  ফেব্রুয়ারী মাস থেকে  সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত আট মাসে  বিভিন্ন ইউনিয়নে আটটি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায় গজারিয়া থানা সূত্রে ।
 ১১ সেপ্টেম্বর স্ত্রীর ওপর অভিমান করে সজীবুর রহমান (২৩) নামে এক সন্তানের জনক আত্মহত্যা করে।। সজীবুর রহমান উপজেলার বালুয়াকান্দি ইউনিয়নের ছোট রায়পাড়া গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে।
০৯ সেপ্টেম্বর প্রেমিকার অন্যত্র বিয়ে হওয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে ইমরান হোসেন (১৮) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছে। নিহত ইমরান হোসেন বাউশিয়া ইউনিয়নের চরবাউশিয়া বড়কান্দি গ্রামের হান্নান প্রধানের ছেলে।
২১ জুলাই মোসাঃ শিমু আক্তার (১৮) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত মোসাঃ শিমু আক্তার বাউশিয়া ইউনিয়নের চৌদ্দকাহনিয়া গ্রামের মোঃ রফিক মিয়ার ছেলে সৌদি আরব প্রবাসী আরিফ হোসেনের স্ত্রী।
২২ জুন নাসরিন বেগম (২৯) নামে এক গৃহবধূ’র লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত নাসরিন বেগম ইমামপুর ইউনিয়নে ষোলআনি গ্রামের হেদায়েতুল ইসলামের স্ত্রী।
০৫ মে সাদিয়া আক্তার (১৭) নামে এক নববধূ’র লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত সাদিয়া আক্তার হোসেন্দী ইউনিয়নে রঘুরচর গ্রামের সাজ্জাদ হোসেনের স্ত্রী।
০২ এপ্রিল প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় অভিমান করে লোকনাথ (২২) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন। নিহত লোকনাথ গজারিয়া ইউনিয়নের নয়ানগর গ্রামের বিযুর ছেলে।
২৪ মার্চ চিরকুট লিখে গলায় ওড়না পেচিয়ে জয়া (১৫) নামে এক নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। নিহত জয়া ইমামপুর ইউনিয়নের হোগলা কান্দি গ্রামের আক্তার হোসেনের কন্যা।
৫ ফেব্রুয়ারী ফয়সাল নামে ১৪ বছরের বয়সী এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ফয়সাল ভবেরচর কলেজ রোড এলাকার মোজাম্মেলের বাড়ির ভাড়াটিয়া।