বাণিজ্যিক চার ব্যাংক ছাড়া অবশিষ্ট ব্যাংকগুলোর পরিচালন মুনাফা ২২ হাজার ৮৪৪ দশমিক ৭৫ কোটি টাকা বলে সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
সোমবার দশম জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশনে চট্টগ্রাম-৪ সংসদীয় আসনের দিদারুল আলমের প্রশ্নোত্তরে একথা জানান অর্থমন্ত্রী।
মন্ত্রীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী, বিদায়ী ২০১৫ সালে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর পরিচালন মুনাফা ২২ হাজার ৮৪৪ দশমিক ৭৫ কোটি টাকা। এ সময় মন্ত্রী ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ ভিত্তিক মোট ব্যাংক-ওয়ারী মুনাফার পরিমাণের সংখ্যা তুলে ধরেন।
মন্ত্রী আরো জানান, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে লোকসানে রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক লিমিটেড, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান। এর মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের লোকসানের পরিমাণ ১৫৮ দশমিক ৯৩ কোটি টাকা, বেসিক ব্যাংকের ২৩৪ দশমিক ৮২ কোটি টাকা, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকের ২৫ দশমিক ৬২ কোটি টাকা এবং ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের ৪৬ দশমিক ৮৫ কোটি টাকা।
মন্ত্রী আরো জানান, উক্ত ব্যাংকগুলো ছাড়া অন্যান্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মোট পরিচালন মুনাফা হয়েছে ২২ হাজার ৮শ ৪৪ দশমিক ৭৫ কোটি টাকা। তার মধ্যে এবি ব্যাংক ৫১১ দশমিক ০৭ কোটি টাকা, অগ্রনী ব্যাংক ১০১০ দশমিক ৪৫ কোটি টাকা, আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক ৫৮২ দশমিক ৭৯ কোটি টাকা, ব্যাংক আল ফালাহ ৫৬ দশমিক ১৮ কোটি টাকা, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক ১ দশমিক ৪৪ কোটি টাকা, বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট ব্যাংক ১২১ দশমিক ৯৭ কোটি টাকা, ব্যাংক এশিয়া ৬০৫ কোটি টাকা, ব্র্যাক ব্যাংক ৭৭৯ দশমিক ৯৭ কোটি টাকা, সিটি ব্যাংক এন এ ১৫৫ দশমিক ৭০ কোটি টাকা, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলং ১৭৭ দশমিক ৪০ কোটি টাকা, ঢাকা ব্যাংক ৩৬৮ কোটি টাকা, ডাচ বাংলা ব্যাংক ৬৭৭ দশমিক ৯৮ কোটি টাকা, ইস্টার্ন ব্যাংক ৫৭৮ দশমিক ৪৬ কোটি টাকা, এক্সিম ব্যাংক ৬৪৯ দশমিক ৮০ কোটি টাকা, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ২৪৬ দশমিক ৫৯ কোটি টাকা, হাবিব ব্যাংক ৬ দশমিক ৩১ কোটি টাকা, এইচ এস বি সি ১০৯০ দশমিক ১৬ কোটি টাকা, আইএফআইসি ব্যাংক ৪০৬ দশমিক ১১ কোটি টাকা, ইসলামী ব্যাংক ১৮০৩ দশমিক ৪৫ কোটি টাকা, যমুনা ব্যাংক ৪০০ দশমিক ৩৮ কোটি টাকা, জনতা ব্যাংক ১১৫২ দশমিক ০৬ কোটি টাকা, মেঘনা ব্যাংক ৬৯ দশমিক ৭৫ কোটি টাকা, মার্কেন্টাইল ব্যাংক ৪১৩ দশমিক ৮৬ কোটি টাকা, মিডল্যান্ড ব্যাংক ৭৮ দশমিক ৪০ কোটি টাকা, মধুমতি ব্যাংক ১০৬ দশমিক ১২ কোটি টাকা, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ২৮১ দশমিক ০৭ কোটি টাকা, ন্যাশনাল ব্যাংক ৮৪৬ দশমিক ০১ কোটি টাকা, ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক ৪১৬ দশমিক ২০ কোটি টাকা, এনআরবি ব্যাংক ৩৮ দশমিক ৩৮ কোটি টাকা, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক ১০৫ দশমিক ৯০ কোটি টাকা, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ৩১ দশমিক ০৯ কোটি টাকা, ওয়ান ব্যাংক ৪৩০ দশমিক ৭৯ কোটি টাকা, প্রিমিয়ার ব্যাংক ২০৬ কোটি টাকা, প্রাইম ব্যাংক ৬৩৪ কোটি টাকা, পূবালী ব্যাংক ৭৮৫ দশমিক ৩৫ কোটি টাকা, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ২ দশমিক ৮২ কোটি টাকা, রূপালী ব্যাংক ২৮১ দশমিক ৫৮ কোটি টাকা, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ২৪০ কোটি টাকা, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক ৪৯২ দশমিক ৫২ কোটি টাকা, সোনালী ব্যাংক ৮৬৩ দশমিক ৩১ কোটি টাকা, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এন্ড কমার্স ব্যাংক ৮০ দশমিক ৬২ কোটি টাকা, সাউথইস্ট ব্যাংক ৮৩৪ দশমিক ৩৩ কোটি টাকা, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ৩৬১ দশমিক ২০ কোটি টাকা, স্টান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক ১৬৫০ কোটি টাকা, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ১৩০ দশমিক ৭২ কোটি টাকা, দি সিটি ব্যাংক ৬৯১ কোটি টাকা, দি ফারমার্স ব্যাংক ৬৩ দশমিক ৬৪ কোটি টাকা, ট্রাস্ট ব্যাংক ৩৮৭ দশমিক ০১ কোটি টাকা, ইউনিয়ন ব্যাংক ১১১ দশমিক ৫১ কোটি টাকা, ইউসিবিএল ব্যাংক ৮৪০ দশমিক ২৪ কোটি টাকা, উত্তরা ব্যাংক ৩৯৮ দশমিক ০২ কোটি টাকা, উরী ব্যাংক ৫৮ দশমিক ২৬ কোটি টাকা।
