চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে প্লাস্টিক ইন্সটিটিউট স্থাপন কাজ সম্পন্ন করা যাবে এমন প্রতিশ্রুতি দিলে এর সব ব্যয় সরকার বহন করবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল।
শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ১১তম আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা জানান।
এর আগে প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিপিজিএমইএর সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব প্লাস্টিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি সেন্টারের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণে সরকার ১০ কোটি আর বিপিজিএমইএ থেকে ১০ কোটি টাকা দিয়েছে। কিন্তু এর কাজ সম্পন্ন করতে আরো ২০ কোটি টাকা দরকার।’ জসিমের এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী এ শর্তের কথা জানান।
মোস্তফা কামাল বলেন, ‘প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানিতে ঘোষিত ১০ শতাংশ নগদ প্রণোদনা দেয়ার কাজ শিগগিরই শুরু হবে। দেশের প্রবৃদ্ধি যত বাড়বে, প্লাস্টিকের চাহিদাও তত বাড়বে। জাপান-কোরিয়া ভালো মানের প্লাস্টিকপণ্য উৎপাদন করছে। তাই দেশীয় ব্যবসায়ীদের উচিৎ তাদের সঙ্গে যৌথ ব্যবসা করা। এতে দেশীয় পণ্যের মান ও চাহিদা বাড়বে।’
তিনি বলেন, ‘দেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। দারিদ্রের হার নাই বললেই চলে। সব ক্ষেত্র উন্নতির দিকে। অন্যান্য ব্যবসার সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্লাস্টিকের ব্যবসাও দ্রুত গতিতে এগুচ্ছে। ব্যবসায়ীদের উচিৎ হবে এখন গুণগতমানের পণ্য উৎপাদন করে রপ্তানি বাড়ানো।’
মন্ত্রী বলেন, ‘প্লাস্টিকখাতে মোটামুটি ভালো প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। তবে ২১ সালের মধ্যে এ খাতের সরাসরি রপ্তানির পরিমাণ এক বিলিয়ন ডলারের ওপরে নিতে হবে। এ জন্য যত ধরনের সহযোগিতা দরকার সরকার তা দেবে।’
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন- বেঙ্গল গ্রুপের চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, বিপিজিএমইএর সাবেক সভাপতি এএসএম কামাল উদ্দিন প্রমুখ।
