চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি-জুন) মুদ্রানীতি আগামী ১৪ জানুয়ারি ঘোষণা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান আগামী বৃহস্পতিবার ১৪ জানুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টায় বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান ভবনের ৫ম তলার জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি-জুন ২০১৬) মুদ্রানীতি ঘোষণা করবেন।
ইতিমধ্যে দেশের ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীরা সম্প্রসারণমুখী মুদ্রানীতি দাবি করেছেন। গত ৫ জানুয়ারি ব্যাংকার্স সভায় তারা তাদের হাতে থাকা অতিরিক্ত তারল্য বিনিয়োগের জন্য সম্প্রসারণমূলক মুদ্রানীতির পক্ষে মত দিয়ে ওই দাবি জানান।
তবে বাংলাদেশ ব্যাংক বড় গ্রাহকদের দিকে না তাকিয়ে ছোট উদ্যোক্তাসহ কৃষি খাতে বিনিয়োগের পরামর্শ দিয়েছে ব্যাংকগুলোকে।
চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ১৫ শতাংশ হবে বলে প্রক্ষেপণ করেছিল। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।
এর আগে সর্বশেষ মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতের রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ঋণ ব্যবস্থা করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ৫০ কোটি ডলারের একটি তহবিল গঠনের ঘোষণা দেয়।
সে ঘোষণা অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুরোটা না পারলেও বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতায় ৩৫ কোটি ডলারের একটি তহবিল গঠন করেছে। রেপো (বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকের স্বল্পমেয়াদে ধার নেওয়ার পদ্ধতি) এবং রিভার্স রেপোর (বাণিজ্যিক ব্যাংক তার অতিরিক্ত তারল্য যে ব্যবস্থায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রাখে) সুদহারকে নীতি সুদহার বলা হয়।
বর্তমানে রেপোর সুদ হার ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং রিভার্স রেপোর সুদ হার ৫ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত ছয় মাসের বেশি সময় কলমানি রেট ৩ থেকে ৪ শতাংশের মধ্যে থাকায় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো রেপোর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে কোনো অর্থ নেয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকও সম্প্রতি রিভার্স রেপো নেওয়া বন্ধ করেছে।
