২১ তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার অনেক স্টল-প্যাভিলিয়নের কাজ শেষ না করেই উদ্বোধন হয়ে গেছে।
শুক্রবার বিকেলে মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, অনেক স্টল-প্যাভিলিয়নের কাজ বাকী রয়েছে। স্টল-প্যাভিলিয়নের কাঠামো তৈরির কাজ শেষ করেছে। বাকী আছে আরও অনেক কাজ।
শুক্রবার বিকেলে মেলা উদ্বোধনের পর সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এখনও স্টল-প্যাভিলিয়নের পণ্য সাজানো হয়নি। প্রায় ২০ শতাংশ স্টল-প্যাভিলিয়নের কাজে এখনো বাকী রয়েছে।
মেলা প্রাঙ্গণে কথা হয় ঢাকা ওরিয়েন্টাল কলেজের প্রভাষক শাওন আহমেদের সঙ্গে। তিনি বলেন, আজকে কোনো কিছু কেনাকাটা করতে আসিনি। মেলা কেমন সাজিয়েছে তা দেখতে এসেছি। গত বছরের চেয়ে এবার মেলা প্রাঙ্গণ অনেক আকর্ষণীয় করা হয়েছে।
এবারের মেলায় বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, চীন, মালয়েশিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর,অস্টেলিয়া, বৃটেন, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানী, নেপাল, হংকং, জাপান, আরব আমিরাত, মরিশাস, ঘানা, মরক্কো ও ভুটানসহ মোট ২২টি দেশ অংশগ্রহণ করছে।
এবারই প্রথম মেলায় অংশ নিচ্ছে ভারতের সরকারী বাণিজ্য উন্নয়ন সংস্থা (ইন্ডিয়ান ট্রেড প্রমোশন অর্গেনাইজেশন -আইটিপিও) ।
গত বছরের মতো এবারও মেলার গেট বানানো হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের আদলে। মেলায় এবারও থাকছে মা ও শিশু কেন্দ্র, শিশুপার্ক, ই-পার্ক, ই-শপ, এটিএম বুথ।
এছাড়া রেডিমেট গার্মেন্টস, হোমটেক্স, ফেব্রিক্স পণ্য, হস্তশিল্পজাত, পাট ও পাটজাত, গৃহস্থালী ও উপহার সামগ্রী, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ক্রোকারিজ, তৈজসপত্র, সিরামিক, প্লাস্টিক, পলিমার পণ্য, কসমেটিকস হার্বাল ও প্রসাধন সামগ্রী, খাদ্য ও খাদ্যজাত পণ্য, ইলেকট্রিক ও ইলেক্টনিক্স সামগ্রী, ইমিটেশন ও জুয়েলারি, নির্মাণ সামগ্রী ও ফার্নিচার স্টল থাকছে মেলায়।
