আসাদ উল্লা কি বড় ধরনের সন্ত্রাসী, জঙ্গী, রোহিঙ্গা, না বড় মাপের কোন অপরাধী?

আসাদ উল্লাহ! কে এই আসাদ উল্লাহ? কি তার পরিচয়? কোথায় তার বাড়ি? কিভাবে গজারিয়ার বাসিন্দা পরিচয় দেয়? কিভাবে লক্ষীপুরার মেয়ে বিবাহ করলো? সকল প্রশ্ন এখন গজারিয়াবাসীর। কেউ জানেনা এই আসাদ উল্লার পরিচয়। তার আসল ঠিকানা কোথায় সে নিজেও জানে না এমনটিই মনে করছেন সাধারণ জনগন। গজারিয়ার সর্বত্রই আলোচনা ও সমালোচনার ঝড়। আসাদ উল্লা এখন বিরোধ সংক্রান্ত জমি ক্রয় দেখিয়ে পুরান বাউশিয়ার বাসিন্দা হওয়ার চেষ্টা করছেন।

আসাদ উল্লা এখন আত্মগোপনে থেকে বিভিন্ন জঙ্গি তৎপরতায় লিপ্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। গোপনে মাদক সিন্ডিকেট ও সন্ত্রাসীদের সাথে আতাত করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে যাচ্ছে বলে বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযোগ আসছে। কিছু অপসাংবাদিকও তার সাথে জড়িত হয়েছে।

একজন মানুষ তার পরিচয় কি? পিতা মাতা কে? তার পিতা মাতার নাম আছে তাদের বাড়ি কোথায় তা নেই। আসাদ উল্লা এমন কি অপরাধ সংঘঠিত করেছে যে তার পিতা মাতার ভিটে বাড়ির তথ্য লুকিয়ে স্থায়ী ঠিকানা সাভার দিয়ে গজারিয়ার পুরান বাউশিয়ার ভোটার বনে গেলো। জাল জালিয়াতি করে জাতীয় পরিচয় পত্র করে কি লুকাতে চাইছে এই আসাদ। কেন প্রশাসন এই আসাদকে গ্রেফতার করছে না? তাকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে তার আসল পরিচয় উদ্ঘাটন করা প্রয়োজন মনে করছেন ভবেরচরসহ গজারিয়া উপজেলার সকল সচেতন নাগরিক।

যে ব্যাক্তি বাবা মায়ের তথ্য গোপন করে বাবা মায়ের ভিটে মাটির তথ্য লুকিয়ে সাভারের ঠিকানা দিয়ে গজারিয়ার ভোটার হলো সে আসলে কি চায়? তার পরিকল্পনা কি? আসলে সে কি কোন বড় ধরনের সন্ত্রাসী, জঙ্গী, রোহিঙ্গা না, বড় মাপের কোন অপরাধী?

এ বিষয়ে প্রশাসনের লোকজনও তার সাংবাদিকতার ভয়ে আইনগত কোন ব্যবস্থা নিতে সাহস পাচ্ছে না। গজারিয়ায় বড় ধরনের কোন অপরাধ সংঘঠিত হওয়ার আগেই এই রোহিঙ্গা আসাদ উল্লাকে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন গজারিয়া সকল সাধারণ নাগরিক।

এই আসাদ উল্লা একজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানেক হুমকি প্রদান করে। একজন সাংবাদিককে হুমকি প্রদান করে সন্ত্রাসী দিয়ে বাড়িতে হামলা করে গুরুতর আহত করেছে। কেন তার বিরুদ্ধে পুলিশ সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলার পরেও মামলা নিলোনা? পুলিশের চেয়ে নাম পরিচয়হীন একজন ভয়ংকর সন্ত্রাসীর শক্তি ও ক্ষমতা বেশী?