সর্বশেষ খবর

মুন্সিগঞ্জ-৩ আসন বিএনপি নেতা মহিউদ্দিন আহমেদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা, নেতা কর্মীদের মধ্যে উচ্ছাস

নিজস্ব প্রতিবেদক

মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. মহিউদ্দিনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। শনিবার ঢাকায় ইসি কার্যালয়ে আপিল শুনানি শেষে আজ রোববার বিকেলে মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

এতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিতে আর কোন বাঁধা রইলনা বিএনপির এই নেতার। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান।

এর আগে গত ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিনে মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনে ৯ জন নির্বাচনের মাঠে থাকতে মনোনয়ন জমা দেন। পরে যাচাই-বাছাইয়ে মো.মহিউদ্দিনসহ তিনজনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো.মহিউদ্দন। সে হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে মাঠে ছিলেন মো.মহিউদ্দিন। পরবর্তীতে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেন। কিন্তু স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ ভোটারের তালিকা প্রয়োজনীয় তথ্য অসঙ্গতি থাকায় তাঁর মনোনয়ন বাতিল করেন মুন্সিগঞ্জ জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী।
এছাড়াও মো.মহিউদ্দিন একটি ঋনের জামিনদার হওয়ায় সেটি নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনার বরাবর একটি অভিযোগও করা হয়।

মনোনয়ন বাতিল ঘোষণার পর পরবর্তীতে মো. মহিউদ্দিন নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেন তিনি। শনিবার আপিলের শুনানি শেষে রোববার রায়ের দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল।

মনোনয়ন বৈধতা পাওয়ার পর থেকে দলীয় একাংশ ও মো.মহিউদ্দিনের সমর্কদের মধ্যে উচ্ছাস দেখা দিয়েছে।

নেতা-কর্মীরা বলছেন, দীর্ঘ ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে মহিউদ্দিন পরিবার জেলায় বিএনপিকে সুসংগঠিত রেখেছে। মহিউদ্দিনের বড় ভাই জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবদুল হাইয়ের নেতৃত্বে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন তাঁরা। আবদুল হাই অসুস্থ হওয়ার পর মহিউদ্দিন তাঁর ভাইয়ের মত দলের সব কার্যকর্ম নেতৃত্ব দিয়ে চালিয়ে নিয়ে গেছেন। যে কোন বিপদে আপদে তাকে পাশে পেয়েছেন দলীয় লোকজন।
তাই মহিউদ্দিন যে প্রতীকে নির্বাচন করবেন, সে প্রতীকের পক্ষেই কাজ করবেন বলে জানান তাঁর সমর্থকরা।

মো.মহিউদ্দিন বলেন, যখন থেকে বুঝতে শিখেছি তখন থেকে বিএনপির সঙ্গে আছি। আমিসহ আমাদের পুরো পরিবার আজীবন দলের জন্য করেছি। দল করতে গিয়ে কতবার হামলা, মামলা, জেল-জুলুমের শিকার হয়েছি।এর পরেও দল ছাড়িনি, দলের  নেতা-কর্মীদের ছাড়িনি।
এ আসনের জনগন আমাকে চায়, নেতা-কর্মীরাও আমাকে চান। সবার চাওয়ার জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছি। প্রাথমিকভাবে দল একজনকে মনোনয়ন দিলেও চুড়ান্ত মনোনয়ন আমাকে দেওয়ার কথা রয়েছে। আমি এখনো আশা করি আমাদের চেয়ারম্যান আমাকে মনোনয়ন দিবেন। শেষ পর্যন্ত যদি দল থেকে মনোনয়ন না হয়, সে ক্ষেত্রে জনগন ও আমার আসনের নেতা-কর্মীরা যে সিদ্ধান্ত নিবে আমি সেটাই করবো।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন

Latest Posts

আলোচিত খবর