সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তশালীরা এগিয়ে এলে সংকট মোকাবেলা সহজ হবে -অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস এমপি

মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস এমপি বলেছেন, প্রাণঘাতি মহামারি করোনা ভাইরাসে সৃষ্ট সংকট মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছে সমগ্র পৃথিবী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমাদের দেশের ঘরবন্দি ও কর্মহীন খেটে খাওয়া মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে বর্তমান সরকার। সরকারে পাশাপাশি সমাজের বিত্তশালীরা এগিয়ে এলে সংকট মোকাবেলা আরও সহজ হবে।
আজ মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার রামপাল ইউনিয়নের পানামে বিশিষ্ট শিল্পপতি নজরুল ইসলাম ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষকতায় ২৫ জনকে ২০ কেজি করে চাল বিতরণ কর্মসূচি এবং পঞ্চসার ইউনিয়নের পশ্চিম মুক্তারপুরে দেওয়ান কোল্ড স্টোরেজ-এর পৃষ্ঠপোষকতায় সহ¯্রাধিক মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- রামপাল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মোশাররফ হোসেন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাকিম বেপারি, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আল মাহমুদ বাবু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান রিপন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জামিল হাসান বাপ্পী, ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আলী আাজগর বেপারি, সাইদ হাসান সানী, আব্দুর রব, ইসমাইল হোসেন, লিটন মিয়া প্রমুূখ।

অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস এমপি বলেন, অতিমাত্রার সংক্রমক ভাইরাস করোনা নিয়ন্ত্রণের কোন প্রতিষেধক বা টিকা এখনও আবিস্কৃত হয়নি। একমাত্র সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার মধ্য দিয়ে সংক্রমণ রোধই হলো করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণের একমাত্র উপায়। তাই করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে দেশে দেশে ঘরবন্দি রয়েছে মানুষ। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে সকলকেই ঘরবন্দি থাকতে হচ্ছে। বিপর্যয়ের মুখে অর্থনীতিÑ স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে বৈশি^ক এই মহামারি নিয়ন্ত্রণে নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সমাজের নি¤œ আয়ের খেটে খাওয়া মানুষের খাদ্য সহায়তা প্রদানে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকারের উদ্যোগের ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত মানুষকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দিনরাত পরিশ্রম করছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। এই দুর্যোগের মুহূর্তে কেউ যেন খেতে না পেয়ে কষ্ট না পায় সেজন্য রেশন কার্ডসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আওতায় ব্যাপক ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। সরকারের পাশাপাশি এভাবে সমাজের বিত্তশালীরা এগিয়ে এলে করোনা ভাইরাসে সৃষ্ট সংকট মোকাবেলা সহজ হবে।

তিনি বলেন, দেশে কোন খাদ্য ঘাটতি নেই। কেউ গুজব ও অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না। প্রয়োজনীয় খাদ্য দ্রব্য মজুদ রয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে শস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করুন। বাড়ির আঙ্গীনায়, খালি জমিতেও শাক-সবজীর চাষ করুন। কোথাও যেন কোন পতিত জমি না থাকে। ধান কাটার এই মৌসুমে কৃষকের ঘরে ধান তুলতে সহায়তা করুন।