গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) সংবাদদাতাঃ গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের ক্রীড়া সম্পাদক মো: সহিদুজ্জামান জুয়েল ও তার সহোদর উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম মন্টুসহ চার সহযোগীর নামোল্লেখ ও অজ্ঞাত সাত থেকে আট জনের বিরুদ্ধে গতকাল বৃহস্পতিবার চাঁদা দাবীর অভিযোগে গজারিয়া থানায় মামলা রুজু করেছেন ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার।
গত বুধবার রাতে বালুয়াকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান সহিদুজ্জামান জুয়েল তার সহোদর ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম মন্টু ও তার অনুগত সুজন,সুমন ও বাবু‘র বিরুদ্ধে অশ্লীল ভাষায় হুমকি দিয়ে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে পৃথক একটি সাধারণ ডায়েরী(জিডি) রুজু করেছেন বালুয়াকান্দির ছোটরায় পাড়ায় অবস্থিত এএম অট্রো ব্রিকস(ইটের ভাটার) ব্যবস্থাপক মুক্তিযোদ্ধা মো: হাফিজুর রহমান শেখ।
মামলা ও আক্রান্ত ব্যবসায়ীর সূত্রে জানা যায়, বালুয়াকান্দি ইউনিয়নের ছোট রায় পাড়া গ্রামের প্রয়াত কফিল উদ্দিনের ছেলে স্থানীয় ব্যবসায়ী মো: আব্দুস সাত্তার এর কাছে কয়েকদিন ধরে দশ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে আসছিল উল্লিখিত বিবাদীরা।
গত বুধবার ব্যবসায়ীক কাজে বাউশিয়া এলাকায় যাওয়ার পথে বালুয়াকান্দি মেঘনা ভিলেজের পাশে ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার ও তার সহযোগীদের গতিরোধ করে চেয়ারম্যান ও তার সহযোগীরা দশ লাখ টাকা চাঁদাদাবী করে।
চাঁদা দাবীর মামলা ও অশ্লীল ভাষায় হুমকি দিযে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা জিডি‘র আসামী চেয়ারম্যানের সহোদর সাইফুল ইসলামের অনুসারী হিসেবে এলাকায় পরিচিত সুমন,সুজন ও বাবুর বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা করার তথ্য জানা গেছে স্থানীয়দের কাছে।
গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো: হেদায়াতুল ইসলাম ভূঞা ,মামলা ও সাধারণ ডায়েরী নথিভূক্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলা নং-০১ তারিখ ০২,০২,২০১৭ এবং জিডি নং ৩৮ তারিখ-০১,০২,২০১৭। তিনি আরো জানান, মামলা তদন্ত করার জন্য এসআই সারোয়ার হোসেন ভূইয়াকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে বালুয়াকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান জানান, আমাকে ব্যবসায়ীক পার্টনার করার কথা দিয়ে আমার কাছ থেকে দশ লাখ টাকা নেয় আব্দুস সাত্তার প্রায় দুই মাস আগে। আমাকে বিনিয়োগ করা টাকার লভ্যাংশ না দেয়ায় আমি টাকা ফেরত চাওয়ায় মামলা করেছে।

