আশির দশকে অমিতাভ বচ্চনকে ঘিরে স্ত্রী জয়া ভাদুড়ি আর রেখার ঠান্ডা লড়াইয়ের কি অবসান ঘটল? এক সময় গোটা দেশের কাছে মুখরোচক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিল বলিউডের এই ত্রিকোণ প্রেম৷ শুধু তাই নয় বলিউডের এই দুই অভিনেত্রীর সম্পর্ক কতটা তলানিতে এসে ঠেকেছিল যে একে অপরকে এড়িয়েই চলতে চাইতেন৷ কিছুদিন আগেও দু’জনে সংসদে পাশাপাশি বসতে রাজি হননি৷ কিন্তু এবার কি সেই বিবাদ ঘুচে গেল৷ নইলে রেখাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খাবেন কেন জয়া?
সম্প্রতি এই বিতর্ক উসকে দিল বলিউডের একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান৷ সেখানে মুখোমুখি রেখা এবং জয়া৷ এমন মূহুর্তে সবাই ভেবেছিলেন দেখামাত্র দু’জনে মুখ ঘুরিয়ে নেবেন৷ বাস্তবে উল্টো ছবি দেখা গেল৷
জয়া নিজেই এগিয়ে গেলেন রেখার দিকে৷ জড়িয়ে ধরে গালে গাল রাখলেন এবং চুমুও খেলেন। বাকি অনুষ্ঠানের সময়েও তাদের একসঙ্গেই কাটাতে দেখা গেল৷ এমন ছবি দেখলে কানাঘুসো না হয়ে পারে৷ একবার আশা ভোঁসলের জন্মদিনে রেখা সম্পর্কটা সহজ করার জন্য জড়িয়ে ধরেছিলেন বটে জয়াকে। কিন্তু সেদিন জয়া ছিলেন খুবই আড়ষ্ট। কোনও মতে সৌজন্য বিনিময় করেই চলে গিয়েছিলেন তিনি৷ আর সংসদে পাশাপাশি তো দূরের কথা কাছাকাছি বসতেও নারাজ ছিলেন জয়া৷ রাজ্যসভায় প্রথমে ৯১ নম্বর আসনটি বরাদ্দ ছিল জয়ার জন্য৷ রেখা আসার পর তিনি ওই আসন ছেড়ে অনেক দূরে ১৪৩ নম্বর আসনে সরে যাওয়ার জন্য আবেদন জানান৷ সে সময় আবার রেখার জন্য বরাদ্দ হয়েছিল ৯৯ নম্বর আসনটি৷ তখন অবশ্য জয়ার আবেদন মেনে নেয় রাজ্যসভা৷ আসন বদল না হলে অবশ্য রেখাকে বসতে হত জয়ার ঠিক পিছনেই৷ সেখানে বার বার রেখার মুখোমুখি এড়াতেই জয়া সরে গিয়েছিলেন বলেই বিভিন্ন মহলের ধারণা৷
প্রসঙ্গত, ১৯৮১ সালে সিলসিলা ছবিতে পাওয়া গিয়েছিল এই দুই নায়িকার পাশাপাশি বিগ বি-কে৷ যে সিনেমা দেখে রিয়েল লাইফটাই রিল লাইফে রূপান্তরিত হয়েছিল বলে মনে করা হত৷ কারণ এই ছবিতে জয়া এবং অমিতাভ ছিলেন স্বামী- স্ত্রী৷ অন্যদিকে বিয়ের আগে রেখা এবং অমিতাভের প্রেম ছিল সিলসিলাতে৷ সূত্র: কলকাতা।

