সদ্য শেষ হওয়া বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল) থেকে হিসাবমতো রাজস্ব আদায়ে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, প্রয়োজনে বিদেশি খেলোয়াড়দের সঙ্গে অর্থ লেনদেন যাচাইয়ে গঠিত টাস্কফোর্সের বাইরে এনবিআরকে আরো কমিটি করতে হবে।
এছাড়া বিপিএলে কী পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি হয়েছে তা তদন্তে গঠিত সব কমিটিকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়ার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। গতকাল সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয় এসব নির্দেশনা দিয়ে চিঠি দিয়েছে বলে এনবিআর সূত্রে জানা গেছে। একই দিন এনবিআরের গোয়েন্দা শাখা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেলের (সিআইসি) কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত টাস্কফোর্সও কাজ শুরু করেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি না নিয়ে বিপিএলে অংশ নেওয়া বিদেশি খেলোয়াড়দের পাওনা পরিশোধের বিষয়টি তদন্তের জন্য টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। চার সদস্যের এই টাস্কফোর্স রাজস্ব ফাঁকি ও অর্থ পাচার নিয়ে কাজ করবে। এ নিয়ে গতকালই কালের কণ্ঠে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, গতকাল অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এ চিঠিতে উল্লেখ আছে যে অতীতে বিপিএল ঘিরে বড় অঙ্কের অর্থের লেনদেন হয়েছে। এবারও বড় মাপের আয়োজন ছিল। এবারের বিপিএল থেকে হিসাব মতো রাজস্ব আদায়ে প্রয়োজনে অধিক সংখ্যক এনবিআর কর্মকর্তাকে নিয়ে আরো কমিটি গঠন করতে হবে। প্রয়োজনে বিসিবির সহযোগিতা নিতে হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে আরো উল্লেখ আছে, চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে এনবিআরের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সব ধরনের কার্যক্রম থেকে গুরুত্বের সঙ্গে রাজস্ব আদায় প্রয়োজন।
অভিযোগ আছে, সদ্য শেষ হওয়া বিপিএলে অংশগ্রহণকারী বিদেশি খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক বাবদ সরবরাহকৃত অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া পরিশোধ করা হয়েছে। আর এতে বড় অঙ্কের রাজস্ব হারিয়েছে সরকার।
অর্থ মন্ত্রণালয় বলেছে, এসব কমিটির সুপারিশে রাজস্ব ফাঁকির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হিসাব জব্দের মতো কঠোর অবস্থান নিতে বলা হয়েছে।

