গজারিয়া(মুন্সীগঞ্জ)সংবাদদাতা:
গজারিয়া উপজেলার টেংগারচর গ্রামে গত ০৬ মে রাতে সংঘটিত সোহেল রানা প্রধান হত্যাকান্ডকে পুঁজি করে একাধিক চক্র ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল,পুর্ব শত্রুতার জের ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ অন্তরালে রেখে হত্যাকান্ডকে পুঁজি করে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্র ও আক্রান্ত পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে টেংগারচর গ্রামে আমিরুল হক সরকারের বসত ঘরে হামলা চালায় প্রতিপক্ষ নূরুজ্জামান সরকারের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত একটি দল। এ সময় ঘরের শিশুদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঘরের মহিলা সদস্যদের বাহির করে দিয়ে ঘরের ছয়টি কক্ষে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এ সময় ঘরে রক্ষিত টিভি, ফ্রিজসহ মুল্যবান আসবাবপত্র ভাঙচুর ও লুট করে। আমিরুল হক সরকারের স্ত্রী রওশন আরা অভিযোগ করেন, রাত পৌনে আটটার দিকে এ তান্ডব চালানো হয় এ সময় ঘরের আলমারিতে থাকা সাত ভরি স¦র্ণালংকার ও নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা একটি টিভিসহ মূল্যবান জিনিষপত্র লুট হয়।
তিনি আরো অভিযোগ করেন, তার স্বামী ও এক ছেলে ঢাকায় চাকুরীস্থলে, অপর দুই ছেলে প্রবাসী হওয়ায় তাদের ঘরে কোন পুরুষ মানুষ ছিল না। টেংগারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম সালাহউদ্দিন জানান, আমি ঢাকায় অবস্থান করছি নূরুজ্জামান ও আমিরুল হক সরকারের মধ্যে বসত বাড়ি নিয়ে বিরোধ রয়েছে আগে থেকেই।
অভিযোগের বিষয়ে নূরুজ্জামান মিয়ার বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি ঘরবাড়িও তালাবন্ধ পাওয়া যায়।
এর আগে ১১ ও ১৩ মে একই গ্রামের আদনান মিয়া, আক্তার হোসেনসহ একাধিক বাড়িতে একই ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।
গজারিয়া থানার পরিদর্শক(তদন্ত) ও সোহেল প্রধান হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন হামলা ভাংচুর ও লুটপাটের বিষয়ে কোন পক্ষই থানায় অভিযোগ করেনি বলে জানান।

