সর্বশেষ খবর

ষোলআনীর কয়লা তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণে বদলে যাবে গজারিয়ার অবস্থা

মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন : মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ষোলআনী মৌজায় ৩১৪ একর জমির উপর প্রস্তাবিত ৩৫০ মেগাওয়াট কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হলে বদলে যেতে পারে গজারিয়ার সামগ্রিক চিত্র। অর্থনৈতিক দিক বিবেচনায় প্রকল্পটিকে গজারিয়া উন্নয়নের চাবিকাঠি বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌচ্ছে দিতে বদ্ধ পরিকর বর্তমান সরকার । এছাড়াও এই সরকারের মেয়াদকালে শিল্প ক্ষেত্রে সাধিত হয়েছে প্রভুত উন্নতি । দেশের সামগ্রিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বিগত সরকারে মেয়াদকালের তুলনায় কয়েকগুন বাড়েলেও এখনো রয়েছে ঘাটতি । এই ঘাটতি পূরণেও সচেষ্ট সরকার । এই লক্ষ বাস্তবায়ন ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়াতে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার । তার মধ্যে অন্যতম মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের ষোলআনী মৌজায় ৩১৪ একর জমির উপর প্রস্তাবিত ৩৫০ মেগাওয়াট কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র । প্রকল্পটির জন্য ৫০৫ কোটি টাকা বরাদ্ধ করেছে সরকারের অর্থনীতি পরিষদের নির্বাহী কমিটি ( একনেক) । ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে প্রকল্পটির পরিবেশগত সমীক্ষার কাজ আর চলছে জমি অধিগ্রহনের প্রস্তুতি।
প্রকল্পটিকে গজারিয়া অর্থনৈতিক মুক্তির চাবীকাঠি বলছেন সংশ্লিষ্টরা ্ তাদের দাবী প্রকল্পটি নির্মাণ হলে এলাকার অর্থনৈতিক উন্নতি,বেকার সমস্যা দুরীকরণ ,ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ ও যোগাযোগ ব্যবস্তার প্রভৃত উন্নয়ন সাধিত হবে । প্রকল্পটি নির্মাণ করতে যাদের জমি অধিগ্রহণ করা সে সকল জমি মালিকদের পূণ:বাসন ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেবার কথা ঘোষণা করেছে সরকার। অবহেলিত এই এলাকার জনগণেন কথা চিন্তা করে জমির বর্তমান বাজার মূল্যের চারগুন ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে সরকার ।

তবে সম্প্রতি এলাকার কতিপয় ব্যক্তি এর বিরোদ্ধে আন্দোলন করা চেষ্টা করছে । তাদের দাবী প্রকল্পটি নির্মাণ হলে পরিবেশ দূষণের ঝুকিতে পরবেন তারা । তবে এই আন্দোলন নিয়ে নানা মহলে রয়েছে নানা গুঞ্জন । অনেকে বলছেল স্বার্থনেস্বী একটি মহল এলাকাবাসীর আবেগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের অপচেষ্টা করছে । জমির দাম বাড়িয়ে তা সরকারকে না দিয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়ার অপচেষ্টা করছে তারা । কিছু জমি মালিকের দাবী তারা সরকারের কাছে জমি বিক্রি করতে চাইলেও কিছু মানুষের চাপে তারা জমি বিক্রি করতে পারছেন না।

এদিকে প্রকল্পটির পরিবেশগত সমীক্ষা দলের দায়িত্বে থাকা বিখ্যাত পরিবেশ বিঞ্জানী ড. নূর নেওয়াজ জানান, কিছুলোক না বুঝে এই বিষয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে । এই প্রকল্পটি হবে সুপার ক্রিটিক্যাল যাতে চিমনীর উচ্চতা হবে প্রায় চার’শ ফুট ফলে চারপাশের পরিবেশের উপর তেমন প্রভাব পড়বে না । এছাড়াও প্রকল্পটিতে বিশ্বেও সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে যাতে পরিবেশ দূষণের ঝুকি থাকবে না।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন

Latest Posts

আলোচিত খবর