তথ্য জালিয়াতকারী আসাদ উল্লার মামলা খারিজ করে দিলেন সাইবার ট্রাইব্যুনাল

গজারিয়ায় তথ্য জালিয়াতি করে ভোটার হয়ে সাংবাদিক বনে গেলেন আসাদ উল্লা! শিরোনামে অনলাইনে সংবাদ প্রকাশের পর আসাদ উল্লাহ আইসিটি মামলা করার জন্য দৌড়ঝাপ শুরু করেন। প্রথমে সে আইসিটি মামলা করার জন্য তার স্থায়ী ঠিকানা দিতে না পারায় মামলা করতে পারিনি। পরবর্তীতে দীর্ঘ ১মাস অতিবাহিত হওয়ার পর সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা দায়ের করলেন কিন্তু শুনানির দিনই তার মামলা খারিজ করে দিলেন সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতের জজ। আসাদ উল্লাকে এখন আর থানা, উপজেলা বা প্রশাসনের আশপাশে ঘুরতে দেখা যায় না। পুরোপুরি আত্মগোপনে চলে গেছেন ভয়ংকার জঙ্গী, রোহিঙ্গা আসাদ উল্লা।

অপরদিকে জঙ্গি ও রোহিঙ্গা আসাদ উল্লা মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংবাদিক ও তার ফেসবুকে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে তার জালিয়াতি লুকানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু সেটায়ও তার কোন উপকারে আসেনি। তিনটি টিকিট দিয়ে দিলেন। তিনজনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট হয়ে গেছে, এই তো পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করতে যাবে এমন হাজারো তথ্য উপাত্ত ও ভয়ভীতি ছড়িয়ে দিয়েছেন মুন্সীগঞ্জের প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মাঝে। কিন্তু জালিয়াতকারী রোহিঙ্গা জঙ্গি আসাদ উল্লার মামলা খারিজ করে দেওয়ায় হতাশ তার সাথে থাকা মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও অপসাংবাদিকরা।

আসাদ উল্লার এত অপশক্তি উৎস কোথায়? পুলিশ প্রশাসন তাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে পারছে না কেন? তার সাথে পুলিশের এত সখ্যতা কেন? পরিচয়হীন একটি মানুষ কিভাবে অপসাংবাদিকতা করে যাচ্ছে গজারিয়ায়। আসাদ উল্লাকে দ্রুত গ্রেফতার করে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে এসে রিমান্ডে এনে তার আসল পরিচয় উদ্ঘাটন করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন গজারিয়ার সচেতন সমাজ।