পরিচয়হীন জঙ্গি, তথ্য জালিয়াতকারী, আত্মগোপনে থাকা আসাদ উল্লা এখন পুলিশের ছত্রছায়ায়!

গজারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার, ডাটা অপারেটর ও এমএলএসএসের মাধ্যমে জঙ্গি, রোহিঙ্গা ও বড় ধরনের ভয়ঙ্কর অপরাধী এখন পুলিশের ছত্রছায়ায় চলাচল করছে। পুলিশ তার বিরুদ্ধে কোন কার্যকর ভূমিকা নিচ্ছে না। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদ উল্লার বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে পুলিশের কাছে পাঠালে পুলিশ এ বিষয়ে কোন অগ্রগতি না করে তাকে শেল্টার দিয়ে যাচ্ছে। যার সকল ঠিকানা ভূয়া তাকে কেন পুলিশ পাহারা দিচ্ছে সেটাতে ভাবিয়ে তুলছে গজারিয়াবাসীকে।

মাই টিভির স্টীকারে চোরাই গাড়ীতে মাদক বিক্রি করায় গাড়ি আটকের আবেদন করা হয়েছিল ২১/০৭/২০২০ তারিখে। কিন্তু কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন নাই তৎকালিন গজারিয়া থানার অফিসার মো: ইকবাল হোসেন। পরবর্তীতে ইনস্পেক্টর তদন্ত মামুন আল রশিদকে বিষয়টি জানানো হলেও সেও কোন পদক্ষেপ না নিয়ে তাকে শেল্টার দিয়ে যাচ্ছেন।

একটাই প্রশ্ন সাধারণ মানুষের মাঝে মো: আসাদ উল্লাহ যদি এলাকার বাসিন্দা না হয়ে থাকে তবে তার পরিচয় কী? তার পরিচয়ের জন্য তার জাতীয় পরিচয়পত্রের আবেদন কপি উদ্ধার করা হয়। সেই আবেদন কপিতে সে তার স্থায়ী ঠিকানা সাভার দেয়া হয়েছে। সেখানের তথ্যও আসাদ উল্লাহ গোপন করেছেন। ঢাকা জেলার সাভার উপজেলা বিপিএ টিসি পোস্ট কোড ১৩৪৩, মৌজা/মহল্লা জামসিং দেয়া রয়েছে। তবে আশ্চর্যের ব্যাপার হলো গ্রামের নাম নেই, রাস্তার নাম নেই, বাসা/ হোল্ডিং নম্বরও নেই। আসাদ উল্লা একজন ভয়ঙ্কর জঙ্গী! সন্ত্রাসী! মাফিয়া! না মাদক ব্যবসায়ী এটা চিহ্নিত করা এখন পুলিশের কাজ। কিন্তু পুলিশ কেন করছে না সে বিষয়টা ভাবিয়ে তুলছে সাধারণ জনগণকে।

অপরদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর সম্প্রতি আবেদন করা হয়েছিল জঙ্গী সন্দেহের অবসানে সঠিক নাম পরিচয় জানার। কিন্তু উজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান সাদী তদন্ত করার জন্য গজারিয়া থানা পুলিশের কাছে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু গজারিয়া থানা পুলিশ সেই বিষয়টিরও কোন তদন্ত রিপোর্ট অদ্য পর্যন্ত জমা দেননি। দুইটি অভিযোগেরই তদন্ত কর্মকর্তা এস.আই উত্তম। এস.আই উত্তমকে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোন তদন্ত না করার নির্দেশ দিয়েছেন। তাহলে কি বুঝা গেল? এই ভয়ঙ্কর আসাদ এখন পুলিশের ছত্রছায়ায়!