তথ্য জালিয়াত গজারিয়ার কথিত সাংবাদিক আসাদ উল্লাহর বিলাস বহুল জীবন যাপন

জাল-জালিয়াত করে জাতীয় পরিচয়পত্র করে সাংবাদিক বনে যাওয়া মো: আসাদ উল্লাহ বিলাস বহুল জীবন যাপন করে যাচ্ছে।  এই টাকার যোগান কোথা থেকে আসে। কিভাবে সে ইনকাম করলো? অপর দিকে তার একটি নিজস্ব প্রাইভেট কার। এই প্রাইভেট কারটিতে টিভির স্টিকার লাগিয়ে দেদারছে দাপড়িয়ে বেড়াচ্ছেন গজারিয়ার সর্বত্র। এমনকি মাদক ব্যবসা করে যাচ্ছেন এই গাড়ি দিয়ে এমন অভিযোগও গজারিয়া থানায় করেছেন অপর একজন সাংবাদিক। তাকেও দুনিয়া থেকে সরে ফেলানোর হুমকি দিয়েছে তার ছত্রছায়ায় থাকা সন্ত্রাসীরা। তার শালা নয়ন দেওয়ান, শাকিলসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন অভিযোগকারীর ভাড়া বাসায় গিয়ে এই হুমকি প্রদান করে আসে।

অপরদিকে টিভির স্টিকার লাগানো একটি মটর সাইকেলও রয়েছে তার। প্রাইভেট কার দিয়ে যখন মাদক ব্যবসা করেন তখন তিনি মটর সাইকেল নিয়ে দাপড়িয়ে বেড়ান। বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান ও কারখানা থেকে প্রতিমাসে মাসিক চাঁদা নেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

খবর পাওয়া গেছে জাল জালিয়াতি করে প্রথম সারির একটি পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি হয়েছে।

একজন ভয়ঙ্কর অপরাধী না হলে কেন টাকা দিয়ে টিভির প্রতিনিধি হলো? কেন জাল জালিয়াতি করে প্রথম সারির একটি পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি হলো? এই দুইটি প্রতিষ্ঠান থেকে তাকে কত টাকা বেতন ভাতা দেয়? যেই বেতনের টাকা দিয়ে বিলাসীতার জীবন যাপন করা যায়? খোঁজ নিয়ে জানা গেছে টিভি ও প্রথম সারির একটি পত্রিকা থেকে কোন বেতন ভাতা প্রদান করা হয় না। যদি দুইটি মিডিয়া থেকে কোন বেতন ভাতাই না পান তবে সে এই বিলাস বহুল জীবন যাপন কীভাবে করেন এটাই এখন প্রশ্ন।

এই সকল অপরাধ সংঘঠিত করার লক্ষ্যেই মাস্টার প্লান করে তথ্য গোপন করে জাল জালিয়াত করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসারের মাধ্যমে তার জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরী করেন।
একজন সাংবাদিক যার পত্রিকা অফিস থেকে কোন বেতন ভাতা দেয়া হয় না সে কিভাবে তার সংসারের ভরন পোষণ চালান? সে কিভাবে ভাড়া বাসায় দুই টনের এসি লাগিয়ে বিলাসবহুল জীবন যাপন করেন? তার প্রাইভেট কারের তেল, মটর সাইকেলের তেল এবং সংবাদ সংগ্রহ করতে বিভিন্ন এলাকায় যাওয়া আসার খরচের টাকা কে যোগান দেয়? বিষয়টি এখন ভাবিয়ে তুলছে গজারিয়া বাসীকে। যার ঠিকানা নাই। যার বাড়ী কোথায় কেউ জানে না। যার এন আইডি কার্ডের ঠিকানার অস্তিত্ব নাই সে কিভাবে বিলাসবহুল জীবন যাপন করে। তার আয়ের উৎস কি? তদন্ত করে আইনের আওতায় আনলেই সকল তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে মনে করছেন গজারিয়ার সর্বস্তরের মানুষ।