গজারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসের মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ!

গজারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসের জাল জালিয়াতির মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সকল কাজে এখন নির্বাচন অফিসের প্রিন্ট কপি বাধ্যতামূলক। জমি রেজিষ্ট্রি, বিবাহ, ব্যবসা বানিজ্য করতে গেলেই নির্বাচন অফিসের প্রিন্ট করা এনআইডি কাগজ প্রদান করতে হয়। এই এনআইডি প্রিন্টেড কপি প্রিন্ট করতে প্রত্যেকজনকে গুনতে হয় ২৫০টাকা। প্রতিদিন প্রিন্ট থেকে প্রায় ২৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই চক্রটি। এনআইডি ফটোকপিতে হবে না। নির্বাচন কশিনের ভেরিফায়েড প্রিন্টকপিই এখন গজারিয়াবাসির ভরসা। ৫২ সপ্তাহে প্রায় ৬৫ লাখ টাকা। দুই বছরে হাতিয়ে নিচ্ছেন ১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা।
সরেজমিনে রোববার সকাল ১১টায় উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে দেখা যায়, জান্নাতুল ফেরদৌসী নামের একটি অনলাইন এনআইডি কার্ডের প্রিন্ট কপি নিতে ক্যাশ ২৫০ টাকা নেয় আল আমিন। বিষয়টি উপজেলা নির্বাচন অফিসারকে বললে তিনি বলেন এনআইডির প্রিন্ট কপি নেয়ার জন্য ২৫০টাকা ফি আছে। পরে ২৫০টাকা ফেরত দেয়। পরবর্তীতে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান সাদীর কাছে অভিযোগ করলে তিনি উপজেলা নির্বাচন অফিসারকে ফোন করে বলেন ক্যাশ লেনদেন যেন আর না হয়। অপর একজন ভূক্তভোগী শাহজাহান তিনি ২০১৫ সালে ইকবালের কাছে নগদ ৫০০০ টাকা দিয়ে নাম সংশোধনের জন্য আবেদন করেন। তার আবেদন অনলাইনে ৫ বছর অতিবাহিত হলেও করা হয়নি। ২০১৯ সালে এসে অনলাইনে আবেদন করেন।

অপরদিকে উপজেলা নির্বাচন অফিসার ইতিমধ্যে রোহিঙ্গা থেকে শুরু করে জঙ্গী সংগঠনের সদস্যদের ভোটার হালনাগাদ করে ইতোমধ্যে সে ১ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা নির্বাচন অফিসের এক কর্মচারী বলেন, নির্বাচন অফিসের ডাটা অপারেটর ইকবালের মাধ্যমে রোহিঙ্গা ও জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের মোটা অংকের টাকার বিনিময় ভোটার হালনাগাদ করছেন। এ ক্ষেত্রে একাধিক রেজিষ্টার সংরক্ষণ করেন। তবে এমন বিষয়ের হালনাগাদ করা ভোটারের রেজিস্টার খাতা দেখাতে পারেন নি। টাকার বিনিময় রোহিঙ্গা ও জঙ্গিদের জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরী করে দিচ্ছেন তা গভীরভাবে অনুসন্ধান করলেই সত্যতা উঠে আসবে। ইতিমধ্যে সে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছে ফুলে ফেপে বড় হয়েছেন। কয়েকটি বাড়ির মালিক বনে গেছেন। মো: আসাদ উল্লাহ। তার বাড়ী কোথায় কেউ জানে না। কিন্তু টাকার বিনিময় উপজেলা নির্বাচন অফিসের ডাটা অপারেটর ইকবাল হোসেন এনআইডি নাম্বার বসিয়ে দিয়েছেন। তাকে গজারিয়া উপজেলার পুরান বাউশিয়া পূর্বপাড়ার ভোটার বানিয়ে দিয়েছেন।