গজারিয়ায় করোনা রোগীর দুপুরের খাবার রাতে

গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুইজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। তাদের করোনা পজেটিভ আসে। পজেটিভ আসার পর থেকে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই আইসোলেশনে রয়েছেন। দুইজনই অসুস্থ্য হয়ে পড়ছেন। কারণ হিসেবে জানা যায়, সকালের খাবার দেয়া হয় সকাল ১০টায়। দুপুর ও রাতের খাবার দেয়া হয় রাত ৮টায়। দিন দিন তাদের শরীর দুর্বল হয়ে পরছে বলেও জানান তিনি।

তাদের সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, দুপুরের খাবার দেরী করে আসায় ক্ষুধায় অনেক কষ্ট হয়। সকাল ১০টায় খাবার দেওয়ায়ও কষ্ট হয়। লেবু, ১টা করে মালতা ও কলা দেয়া হয় তাদের। তারা জানান, দুপুর ও রাতের খাবার বিকাল ৪টায় আসে কোন সময় ৬টায় আসে বেশীর ভাগ সময়ই রাত ৮টায় আসে। আমরা তো অসুস্থ্য রোজা রাখতে পারি না। শরীর অনেক দুর্বল। তাদের তিন বেলার খাবার সময়মত পৌছানোসহ খাবারের মান বৃদ্ধিরও দাবী জানান তিনি।

এ ব্যাপারে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তাসলিমা আনাম জানান, গজারিয়া স্বাস্থ্য বিভাগের ২৫জন আক্রান্ত। আমার বাড়িতে এক কলস পানি আনার লোক নেই। খুবই দুর্বিসহ জীবন যাপন চলছে আমাদের। তার পরেও আমরা স্বাস্থ্য বিভাগটি চালু রেখেছি। বাহির থেকে পাক করে খাবার পাঠাতে হয়। তাই একটু দেরী হয়।