মুন্সীগঞ্জের স্বাস্থ্য বিভাগ কে চালায় সিভিল সার্জন না পিএ মিজান?

মুন্সীগঞ্জের স্বাস্থ্য বিভাগ কে চালায় সিভিল সার্জন না পিএ? এমন প্রশ্ন মুন্সীগঞ্জের সাধারণ জানগণের কাছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ চালায় পিএ-২ মিজানুর রহমান এমনটি জানে মুন্সীগঞ্জবাসী। তার কথায়ই এখানে সব হয়। হাসাপাতালের খাবারের টেন্ডারের অনেক দুর্নীতির সাথে সে জড়িত। টাকার বিনিময় রেট মূল্য ঠিকারের কাছে দিয়ে দেয়ারও অভিযোগ রয়েছে। সে নাকি স্বঘোষিতভাবে স্বীকৃত সিএস, তার কথা ছাড়া নাকি কিছুই হয় না স্বাস্থ্য বিভাগে।

অপরদিকে ২০১১ সালে সরকার বিরোধী ও নানা অনিয়মের অভিযোগে ডিজি অফিস থেকে বরিশালে বদলী করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি হাইকোর্টে একটি রিট ঠুকে দেন। ২০১১ সাল থেকে এই পর্যন্ত সে হাইকোর্টের রির্টের বলেই বহাল তবিয়তে মুন্সীগঞ্জে সিএসের ভূমিকায়। মুন্সীগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগে কি আছে যে লক্ষ লক্ষ টাকা হাইকোর্টে ব্যায় করে মুন্সীগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগেই থাকতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে তার অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন তিনি। একজন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীর এক টাকার উৎস কোত্থেকে আসল? দুদুকের মাধ্যমে অধিকতর তদন্ত করলেই তার অবৈধ অর্থ ও সম্পদের পাহাড়ের উৎস বেরিয়ে আসবে বলে মুন্সীগঞ্জের সাচেতন মহল মনে করছে।তার ঢাকায় বাসা, মুন্সীঞ্জ কোয়ার্টর একজন তৃতীয় শ্রেণির বেতন কত? মাসে যে টাকা ব্যয় হয় তার তার অর্ধৈক টাকা আয় করেন। বাকী টাকা কোথা থেকে আসে। দুদুকে ইতোমধ্যে মোটা অংকের টাকা দিয়ে তিনি বেচেে বহাল তবিয়তে চাকুরী করতেছেনস এবং লুটপাট করছেনত।

এ ব্যাপারে স্বাঘোষিত সিভিল সার্জন পিএ মিজানুর রহমানের ০১৭১১৯০৬৫৮২ ফোনে একাধিক সাংবাদিক ফোন দেয়ার পরে কো রেসপন্স করেননি।