গজারিয়ার হোসেন্দির সিটি গ্রুপে আরো একটি প্রদীপ নিভে গেল॥ সকল দুর্ঘটনাই ধামাচাপা!

মোহাম্মদ জসমি উদ্দনিঃ
গজারিয়ায় উপজেলায় হোসেন্দী ইউনিয়নের ভবানীপুর এলাকায় সিটি গ্রুপের এক ওয়ার্কার নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই নিয়ে ১৫ জনের বেশী নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে এই কারখানাটিতে। বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) দুপুর ২ টায় হোসেন্দী ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে অবস্থিত সিটি গ্রুপ ওয়ার্কার মোহাম্মদ ওবায়দুল (৩৪) নিহত হয়েছে। মোহাম্মদ ওবায়দুলের ৩ মাসের একটি ছেলে ও ১০ বছর বয়সের একটি মেয়ে রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কারখানায় জাহাজ রিপেয়ারিং করতেছিল। হঠাৎ করে নোঙর খুলে ওবায়দুলের শরীরে পরে। ওখানে আরো ৩জন শ্রমিক কাজ করছিল তারা সরে যেতে পারলেও ওবায়দুল সরে যেতে পারেনি। কর্মরত অবস্থায় জাহাজের নোঙর ছিড়ে গায়ের উপর পড়ে যায় ঘটনাস্থলেই মারা যায় মোহাম্মদ ওবায়দুল। নিহত ওবায়দুলের লাশ গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে।

একাধিকবার এই কারখানাটিতে গিয়ে বিভিন্ন শ্রমিকদের থেকে তথ্য নিয়ে জানা যায়, কোন সিফটির ব্যবস্থা নেই এই কারখানাটিতে। শ্রমিকদেরকে নিজের টাকায় সকল কিছু ক্রয় করে নিতে হয়। কুট কৌশল হিসেবে কারখানা কর্তৃপক্ষ দিন মজুর প্রতিদিনের হাজিরা প্রতিদিন দিয়ে কাজ করানো হয়। যাতে করে কোন শ্রমিককেই কোন ক্ষতিপূরণ দিতে হয় না।

অপরদিকে কোম্পানীর কর্মকর্তা তন্বয় সাহা জানান, দুই মাস যাবৎ আমরা সেফ্টি সু, হেলমেট ও চোখের গগজ প্রদান করছি। কাজে আসার পর পরে নেয়। যাওয়ার আগে খুলে রেখে যায় শ্রমিকরা। কাজে জায়গায় সিফটি থাকা এবং সেফটি আছে কিনা তদন্ত করা প্রয়োজন,না হলো আরো মায়ের কুল খালি হবে।

গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ইকবাল হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নিহত ওবায়দুলের পরিবার পরিজন আসছে। তাদেরকে যদি কোম্পানী সন্তুষ্ট করতে পারে তো হলো। অন্যথায় পরিবেশ অধিদপ্তর বিষয়টি দেখবে কেন ঘন ঘন দুর্ঘটনা ঘটে এই কারখানায়।