শোক সংবাদ

Al Mamun Jahangir:
গজারিয়া উপজেলার পুরান বাউশিয়া গ্রামের বয়ো:জেষ্ঠ অধিবাসী সরকারী প্রাথমিক স্কুল থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জনাব ইদ্রিস পাঠান একটি স্মরনীয় ব্যক্তি।বাউশিয়া মাইনর স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন বাবু ললিত মোহন।তিনি উচ্চ ডিগ্রীধারী না হওয়াতে তাঁকে হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক করা যাচ্ছিল না বিধায় স্কুলটিকে হাই স্কুলে উন্নীত করতে তাকে অপসারন করার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। কিন্তু হাই স্কুলে উন্নীত করার উদ্যোক্তরা সবাই তাঁর ছাত্র হওয়াতে মুখ খুলে কিছুই বলতে পারছিলেননা।এ সময়ে আমার চাচা সামসুদ্দিন আহমেদ সরকার স্থানীয় শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার পথ উন্মুক্ত করার জন্য সাথীদের নিয়ে সর্বাত্মক আন্দোলনে নামেন।তাঁর সাথীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ইদ্রিস পাঠান। এই ইদ্রিস পাঠান ১৯৫৪ এর সংসদ নির্বাচনে আমার আব্বা মনির হোসেন জাহাঙ্গীরের প্রচারে দলবল নিয়ে অন্যতম প্রতিদন্ধি জনাব ইসমাইল হোসেনের গ্রামের বাড়ি ইসমানির চরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সময় তাঁর সমর্থকদের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে পালাবার সময় নদীর পাড় ভেঙে তলায় পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছিলেন। এই সম্পর্ক আরো জোড়দার হয় তার বিয়ের পর তিনি চাচা হতে হয়ে যান ভাগনি জামাই।তাঁর স্ত্রী আমার বড় বোনকে মা ডেকে আমাদের পারিবারিক সদস্যের মত হয় যায়।উভয়ে আমৃত্যু এ সম্পর্ক অটুট রেখে গেছে।জামাতা ইদ্রিস পাঠান সন্তান শ্যামল,রিনা,শাহিন ও রোজীকে এবং নাতি-নাতিন,অসংখ্য শিক্ষার্থী ও প্রচুর আত্মীয়, বন্ধু ও গুনগ্রাহীদের কাঁদিয়ে ১১২ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেছেন। আল্লাহ তাঁকে জান্নাত নসীব করুন।