মেঘনা নদীতে তৃতীয় সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম শুরু

 

মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা তথা জেলা সদর হতে নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন একমাত্র উপজেলা গজারিয়াকে জেলা সদরের সাথে সংযুক্ত করার দাবী ছিল দীর্ঘদিনের এলাকাবাসীর।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গজারিয়া লঞ্চঘাট থেকে চরকিশোরগঞ্জ ট্রলারঘাটকে সংযুক্ত করে মেঘনা নদীর ওপর সেতু নির্মানের দাবীও গজারিয়া বাসীর দীর্ঘদিনের এখানে সেতু হলে মুন্সীগঞ্জ জেলা সদরের সাথে গজারিয়া বাসীর সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়। অবশেষে গজারিয়া-চরকিশোরগঞ্জ মেঘনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু হয়েছে। আজ শনিবার ওই স্থানে মেঘনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়েই জন্য সরকারের উচ্চ পর্যায়ের একটি টিম সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শণ করেন।

গজারিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার এসএস ইমাম রাজী টুলু জানান,ওই দলে সেতু মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট টিম পরিদর্শণে অংশ গ্রহণ করেন।pic-1, date-07-07-2019
শনিবার সকালে গজারিয়া উপজেলা হয়ে গজারিয়া লঞ্চঘাট এবং আশপাশের এলাকা পরিদর্শণ করেন তারা। এরপুর দুপুর ও বিকালে পরিদর্শণ করেন মুন্সীগঞ্জ প্রান্তের চর কিশোরগঞ্জ ও আশপাশের এলাকা। এ সময় উপ-পরিচালক, স্থানীয় সরকার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব এস. এম শফিক, সেতু মন্ত্রনালয়ের পরিচালক রেজাউল হায়দার, ডা. মো: গোলাম ফারুক, সেতু মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব (উন্নয়ন) রাহিমা আক্তার উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় গজারিয়া উপজেলা পরিষদেও চেয়ারম্যান মো: াামিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

সংুিশ্লষ্ট সূত্রে জানা যায়, সেতটিু নির্মাণ হলে গজারিয়া উপজেলার সাথে জেলা শহর মুন্সীগঞ্জের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে। তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাথে ঢাকা-মাওয়া-খুলনা মহাসড়কের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এতে রাজধানী ঢাকার ওপর যানবাহনের চাপ কমবে। একই সাথে মুন্সীগঞ্জের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পাবে। সম্ভাব্য এই সেতুর স্থানে বর্তমানে ফেরী রুট রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ফেরী রুট চালু করেছিলেন। একই সাথে এই ফেরী পথ ধরে গজারিয়া-মুন্সীগঞ্জ রাস্তার প্রশস্তকরণ এবং সংস্কার কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। রাস্তার সমস্যার কারণে যানবাহন কম হওয়ার বর্তমানে ফেরী চলাচল সার্ভিস বন্ধ রেখেছে বিআইডব্লিউটিসি।##