জাল-জালিয়াতির ঘটনা চাপা দিতে বিভিন্ন দফতরে ধর্ণা দিচ্ছেন প্রতারক জসিম

 
নিজস্ব প্রতিবেদক
জাল-জালিয়াতির ঘটনা চাপা দিতে ধর্ণা দিচ্ছেন সরকারের নানা দফতরে। রাজনৈতিক নেতাদের কাছেও দৌড়ঝাঁপ করছেন দিনরাত। সরকারের সাথে প্রতারণা করার গুরুতর অপরাধের বিষয়টি জানতে পেরে রাজনৈতিক নেতারাও ছায়া দিচ্ছে না। দৈনিক আমার বার্তা’র ডিক্লারেশন পেতে করা আবেদন ও অঙ্গীকার পত্রে মিথ্যা তথ্য ও জাল সনদপত্র দাখিল, কয়েক ব্যবসায়ীকে সাংবাদিক পরিচয়ে অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পাইয়ে দিয়ে সচিবালয়ে নিয়মিত প্রবেশের সুযোগ করে দেয়া, তৎবির বানিজ্য, অবৈধ অর্থ-সম্পদ অর্জনের তদন্ত শুরু হওয়ায় খেই হারিয়ে ফেলছেন দৈনিক আমার বার্তা’র সম্পাদক ও প্রকাশক মো. জসিম।
দৈনিক আমার বার্তার ডিক্লারেশন পেতে করা আবেদনপত্রের সাথে দাখিল করা তিনটি শিক্ষা সনদের মধ্যে ১৯৯৪ সালে এসএসসি পাসের সনদ নিরীক্ষার পর ‘ভেরিফাইড এন্ড ফাউন্ড ফেক’ বলে লিখিত মন্তব্য করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের উপ নিয়ন্ত্রক মাসুদা বেগম। ঢাকা কলেজ থেকে ১৯৯৬ সালে এইচএসসি পাস করা দেখানো জাল সনদে উল্লেখ করা রোল নম্বরটি (৩২৭৩০৫) ছিল পদ্মা কলেজের শিক্ষার্থী মো.মোজাফ্ফর হোসেনের। ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী পরিচয়ে ১৯৯৮ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রী পাস সনদটি দেখলেই বোঝা যায় এটি জাল। গুরুতর এ অপরাধের তদন্ত ও দৈনিক আমার বার্তা’র ডিক্লারেশন বাতিলের আবেদনও জানানো হয়েছে ঢাকা জেলা প্রসাশকের কাছে। চলতি বছরের জানুয়ারির ২৩ তারিখ থেকে এ সব আবেদন জানানো হয়েছে।
তথ্যমন্ত্রী, তথ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশন চেয়ারম্যান, এটর্নি জেনারেল, এসবি প্রধান ও আতিরিক্ত আইজিপি, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি এর কাছে সুনির্দিস্ট অভিযোগ তদন্তে পৃথক পৃথক লিখিত আবেদন জানানো হয়েছে। অভিযোগের পক্ষে প্রাথমিক প্রমানাদিসহ অনুলিপি প্রধানমন্ত্রী, এনএসআই’র মহাপরিচালক ও ডিএফপি’র মহাপরিচালকের কাছেও পাঠানো হয়েছে।