সর্বশেষ খবর

পদ্মা সেতুর ব্যয় ৮ হাজার কোটি টাকা বাড়ছে

সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ প্রকল্প পদ্মা সেতু। নিজস্ব অর্থায়নে ২০ হাজার কোটি টাকায় সেতু নির্মাণ কাজ এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে। উদ্বোধন করা হয়েছে নদীশাসন কাজের। দ্বিতীয় দফায় ৮ হাজার কোটি টাকা বাড়ছে এই প্রকল্পে। এতে সেতুর নির্মাণ ব্যয় দাঁড়াচ্ছে ২৮ হাজার ৭৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এই প্রকল্পে অতিরিক্ত অর্থের বরাদ্দ চেয়ে উপস্থাপন করা সংশোধিত প্রস্তাবটি অনুমোদন পেয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগ একনেক সভায় প্রকল্পটি উপস্থাপন করে।

কয়েকটি খাতে ব্যয় বাড়ার কারণে পদ্মা সেতু নির্মাণে এই বাড়তি প্রয়োজন হচ্ছে বলে সভায় উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে মূল সেতু নির্মাণে ৩ হাজার ৭৭২ কোটি টাকা, নদীশাসনে ৪ হাজার ৩২০ কোটি টাকা, সংযোগ সড়ক নির্মাণে ৬৩৮ কোটি টাকা, পরামর্শক বাবদ ১৭৬ কোটি টাকা, নতুন খাতে ১২৫ কোটি টাকা, জমি অধিগ্রহণে ২১২ কোটি টাকা এবং পদ্মা নদীর মাওয়া অংশে ভাঙন ঠেকাতে ৫০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত প্রয়োজন হচ্ছে।

২০০৭ সালে একনেক ১০ হাজার ১৬১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পটি অনুমোদন করেছিল। পরে নকশা পরিবর্তন করে সেতুর দৈর্ঘ্য বাড়ানো হয়। এতে নির্মাণ ব্যয়ও বেড়ে যায়। ২০১১ সালে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই অবকাঠামো নির্মাণের সংশোধিত প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন পায়। বরাদ্দ দেওয়া হয় ২০ হাজার ৫০৭ কোটি ২০ লাখ টাকা।

তখন প্রকল্প বাস্তবায়নে দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংকের ১২০ কোটি ডলার ঋণ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ আনে সংস্থাটি। এ নিয়ে তাদের সঙ্গে টানাপোড়েনের পর ২০১৩ সালে সরকার বিশ্বব্যাংককে না করে দেয়।

২০১১ সালে মূল সেতু নির্মাণকাজ শুরুর কথা থাকলেও এই জটিলতার কারণে তা চার বছর পিছিয়ে যায়। এরপর নিজস্ব অর্থায়নে বহু প্রতীক্ষিত এই সেতু তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এর মধ্যে নির্মাণসামগ্রীর দাম এবং ডলারের বিনিময় মূল্য বেড়ে যাওয়ার কারণে পদ্মা সেতুতে ব্যয়ও বেড়েছে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন

Latest Posts

আলোচিত খবর