মুজিববর্ষে সম্মিলিত অঙ্গীকার হোক নতুন প্রজন্মের জন্য উন্নত সমৃদ্ধ সমাজ গঠন – অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস এমপি

মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন:

মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস এমপি, ২০২০ সাল সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষে আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার হোক নতুন প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত সমৃদ্ধ সুন্দর ও কল্যাণ সমাজ গঠন করা।

গতকাল ১৩ ফেব্রুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষে জাতীয় জাগরণ সৃষ্টির লক্ষ্যে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা এলাকায় গণসংযোগকালে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আল মাহমুদ বাবু, অ্যাডভোকেট গোলাম মওলানা তপন, কাউন্সিলর জাকির হোসেন, মকবুল হোসেন, জেলা পরিষদ সদস্য আরিফুর রহমান, গোলাম রসুল সিরাজী রোমান, জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আহমেদ পাভেল প্রমুখ।

অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুবিবুর রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম ও স্বশস্ত্র বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ৩০ লাখ প্রাণের বিনিময়ে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাঙালির স্বতন্ত্র জাতি-রাষ্ট্র হিসেবে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে।

তিনি বলেন, যেই পবিত্র স্বপ্ন আর আকাক্সক্ষা নিয়ে দেশমাতৃকার জন্য ত্রিশ লক্ষ শহীদের আত্মবিলদান দিয়েছেন, সেই মহান চেতনা-আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা প্রত্যেকটি দেশপ্রেমিক নাগরিকের প্রধান দায়িত্ব। নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত সমৃদ্ধ কল্যাণকর ও সুন্দর রাষ্ট্র গঠনের যে মহান ব্রত নিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানরা মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তাদের সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, কোনো জাতির দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে সচেষ্ট না হলে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি টেকসই রূপ লাভ করে না। উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির কাক্সিক্ষত সুফল সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব না। এজন্য প্রত্যেক নাগরিকেরই উচিত দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ সম্মিলিত উদ্যোগের মধ্যে দিয়ে কল্যাণকর ও সুন্দর আগামী বিনির্মাণে আত্মনিয়োগ করা।