এজলাসের বাহিরে পুলিশের উপস্থিতিতে হত্যা মামলার আসামীদের হাতে রক্তাক্ত জখম চেয়ারম্যান

এজলাসের বাহিরে পুলিশের উপস্থিতিতে হত্যা মামলার আসামীদের হাতে রক্তাক্ত জখম চেয়ারম্যান

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:
এজলাসের বাহিরে হাতকড়া পড়া অবস্থায় শুনানী শেষে বাদী পক্ষের উপর হামলা করে আসামী পক্ষ। ১০৯ নং আদালত কক্ষ থেকে ২টি হত্যা মামলার আসামী শুনানী ও হাজিরা দিয়ে বের হওয়ার পর জামিন না দেওয়ায় এই হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বাদী পক্ষ। পুলিশের উপস্থিতিতে বুধবার (০৪.০৯.১৯) দেড়টার সময় আদালত পাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বেতকা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও টংগীবাড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা আলহাজ্ব মোঃ শওকত আলী খান।

শাহ আলম খান ও আলী হোসেন বাবু হত্যা মামলার আসামী রাসেল মোল্লা (২৮), সোহেল মোল্লা (৩৫), নাছিম মোল্লা (৩৮) ও তাদের মা নয়ন তারা (৬০) মিলে আদালত চত্বরের বারান্দায় হামলার শিকার হন বেতকা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও টংগীবাড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা আলহাজ্ব মোঃ শওকত আলী খান। হামলায় রক্তাক্ত জখম হয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় বেতকা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও টংগীবাড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা আলহাজ্ব মোঃ শওকত আলী খানকে কুন্ডের বাজার কান্দা পারা জোড়া খুনের আসামি সোহেল মোল্লা, রাসেল মোল্লা, নাছিম মোল্লা, মা নয়ন তারা মুন্সীগঞ্জের আদালত চত্বরের ১০৯ নং কক্ষের বাহিরে পুলিশের উপস্থিতিতে হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিত হামলা করে। প্রথমে হাতকড়া দিয়ে দুই ভাই চেয়ারম্যানের গলা পেচিয়ে ধরে। পরে মা নয়ন তারাও ঝাপটে ধরলে সোহেল মোল্লা কিল ঘুষি মেরে নাক ও শরীরের বিভিন্ন অংশ ফাটিয়ে দেয়।

কুন্ডের বাজার কান্দাপাড়া গ্রামের হাতে গনা ২-৩ টা ফ্যামিলির লোকজন এই গ্রামবাসীদের বিষফোড়া হয়ে দাঁিড়য়েছে। দেখার মতো কেউ নেই। রমরমা মাদক ব্যবসা করে এবং খুন জখম করেই চলেছে এই পরিবারটি। প্রতিনিয়ত জুয়া। এদেরকে শক্ত হাতে দমন করতে না পারলে আরো বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংকা করছে এলাকাবাসী।

৯ সেপ্টেম্বর ১৭ ইং সালে শাহ আলম খান ও আলী হোসেন বাবুকে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে হত্যা করে উপরোক্ত আসামীদ্বয়গণ। মামলা আদালতে বিচারাধীন।

এ বিষয়ে কোর্ট ইনস্পেক্টর হেদায়াত উল্লাহ ভুইয়া তার সেল ফোন রিসিভ করেননি।

জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম পিপিএম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, থানায় মামলা করার জন্য বলে দিয়েছে। মামলা করার পরে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।